সাংগঠনিক সনদ ও
শাসন কাঠামো
আমাদের সংবিধান মৌলিক নীতি, শাসন কাঠামো এবং পরিচালনাগত নির্দেশিকা প্রতিষ্ঠা করে যা স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং কার্যকর সেবা প্রদান নিশ্চিত করে।
আমাদের সংবিধান
সম্পূর্ণ সাংগঠনিক সনদ এবং শাসন কাঠামো
১. নাম ও উদ্দেশ্য
১.১ সংগঠনের নাম হবে ইসলামী আদর্শ ভিত্তিক সমাজসেবা সংগঠন (দেওগাও সামাজিক উন্নয়ন ফোরাম)।
১.২ সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য:
- দরিদ্র, অসহায় ও অনাথদের সাহায্য করা।
- এলাকার সামাজিক উন্নয়ন, শিক্ষার প্রসার ও নৈতিক উন্নয়ন সাধন।
- ইসলামী শিক্ষা, নীতি ও আদর্শ প্রচার করা।
- জরুরি সময় (বন্যা, অগ্নিকাণ্ড, দুর্ঘটনা) ত্রাণ সহায়তা প্রদান।
২. মূলনীতি ও দিকনির্দেশনা
২.১ সংগঠন সম্পূর্ণরূপে কুরআন ও সহিহ হাদিসের আলোকে পরিচালিত হবে।
২.২ সংগঠনের কোনো কার্যক্রম ইসলামী শরীয়াহ-বিরোধী হবে না।
২.৩ মদ, জুয়া, সুদ, অনৈতিকতা ও অন্যায় কাজে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা থাকবে।
২.৪ সদস্যদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, পরস্পরের প্রতি সম্মান ও সহযোগিতার মনোভাব বজায় রাখা হবে।
৩. সদস্যপদ
৩.১ যে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম ব্যক্তি, যিনি সংগঠনের নীতি ও উদ্দেশ্যের সাথে একমত, তিনি সদস্য হতে পারবেন।
৩.২ সদস্যদের নাম রেজিস্ট্রারে লিখিত থাকবে।
৩.৩ সদস্য ফি বা অনুদান ইসলামি বিধান মেনে আদায় করা হবে।
৩.৪ সদস্যরা নিয়মিত মিটিং ও কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবেন।
৪. সংগঠনের কাঠামো
৪.১ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হবে:
- সভাপতি
- সাধারণ সম্পাদক
- কোষাধ্যক্ষ
- সদস্যবৃন্দ
৪.২ কার্যনির্বাহী কমিটি ১ বছর মেয়াদে দায়িত্ব পালন করবে।
৪.৩ শূন্যপদে কমিটির সিদ্ধান্তে নতুন নিয়োগ দেওয়া হবে।
৫. সভা ও সিদ্ধান্ত
৫.১ মাসে অন্তত একবার সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে।
৫.২ জরুরি পরিস্থিতিতে সভাপতি বিশেষ সভা ডাকতে পারবেন।
৫.৩ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নেওয়া হবে, তবে ইসলামি শরীয়াহের বিপরীতে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণযোগ্য হবে না।
৬. অর্থনৈতিক নীতি
৬.১ সংগঠনের সকল অর্থ দান, অনুদান ও সদস্য চাঁদার মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে।
৬.২ কোনো প্রকার সুদভিত্তিক লেনদেন করা যাবে না।
৬.৩ হিসাব বই নিয়মিত সংরক্ষণ ও প্রতিবছর নিরীক্ষা করা হবে।
৭. শৃঙ্খলা বিধি
৭.১ সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে অনৈতিক কাজ, দ্বন্দ্ব, বা ইসলামী বিধান বিরোধী আচরণ করলে সতর্কবার্তা, সাময়িক বরখাস্ত বা স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে।
৭.২ অন্য কোনো রাজনৈতিক স্বার্থে সংগঠন ব্যবহার নিষিদ্ধ।
৮. বিলুপ্তি
৮.১ সংগঠন বিলুপ্ত হলে এর সকল সম্পদ ও অর্থ শরীয়াহ অনুযায়ী দান, ওয়াকফ বা সমাজকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করা হবে।
